মাধ্যমিক পাশ থেকে MA পর্যন্ত শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা যুবসাথীর টাকা পেতে কেন ঢাকায় লম্বা লাইনে?





মাধ্যমিক পাশ থেকে MA পর্যন্ত শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা যুবসাথীর টাকা পেতে কেন ঢাকায় লম্বা লাইনে?

মাধ্যমিক পাশ থেকে MA পর্যন্ত শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা যুবসাথীর টাকা পেতে কেন ঢাকায় লম্বা লাইনে?

ঘটনা ও প্রেক্ষাপট

২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার শহর ও নগর এলাকায় লক্ষণীয় পরিমাণে মাধ্যমিক পাশ থেকে স্নাতকোত্তর (MA) পর্যায়ের শিক্ষিত যুবক-যুবতীদেরকে ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। বিশেষ করে কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য জেলা শহরগুলিতে রবিবার সকালে যুবকদের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা গেছে। এই ঘটনা মূলত রাজ্যের তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যপক সাড়া ফেলেছে এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত প্রদান করেছে।

যুবসাথী প্রকল্প ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক তথ্য

‘বাংলার যুবসাথী’ পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক পরিচালিত একটি যুব উন্নয়ন প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য হল উচ্চশিক্ষিত যুবকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যাতে তারা আত্মনির্ভর হতে পারে ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে। প্রকল্পটির অধীনে শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন পরিমাণ আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

সূত্র প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, এই প্রকল্পে মাধ্যমিক পাশ থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা আবেদন করতে পারে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্ট একটি অফিসিয়াল বিভাগের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ ও তহবিল বিতরণ করা হচ্ছে। উৎস প্রতিবেদনে প্রকল্পের আর্থিক বরাদ্দ বা বিতরণের নির্দিষ্ট সংখ্যা বা তারিখ সংক্রান্ত তথ্য নেই।

প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও প্রেক্ষিত

প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে একটি প্রশাসনিক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যার ফলে রাজ্যের প্রত্যেক জেলায় নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ ও তহবিল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত রাজ্য পর্যায়ে গৃহীত হয়েছে এবং কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কের উল্লেখ উৎস প্রতিবেদনে নেই।

এই উদ্যোগ গ্রহণের পেছনে মূলত তরুণদের অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও কর্মসংস্থানের অভাবকে বিবেচনা করে তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করাই লক্ষ্য। তবে, উৎস প্রতিবেদনে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনের বিস্তারিত কারণ বা আলোচনার তথ্য নেই।

যুবকদের প্রভাব ও বাস্তব চিত্র

যুবসাথীর অর্থনৈতিক সহায়তা পাওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন করে দাঁড়ানো শিক্ষিত যুবকদের উপস্থিতি থেকে বোঝা যায়, রাজ্যের তরুণ সমাজে এই প্রকল্পের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ ও নির্ভরতা তৈরি হয়েছে। এই অর্থনৈতিক সহায়তা তাদের জন্য একটি সাময়িক আর্থিক সহায়তা হিসেবে কাজ করছে, যা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অর্থনৈতিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে।

তবে, উৎস প্রতিবেদনে প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্পর্কিত তথ্য নেই। একই সঙ্গে, যুবকদের সংখ্যাগত বা গড়ে কতজন এই সহায়তা গ্রহণ করছেন তারও তথ্য উৎস প্রতিবেদনে নেই।

পরবর্তী সম্ভাব্য পদক্ষেপ

সরকারি উদ্যোগ অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ ও তহবিল বিতরণের কাজ কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আগামী সময়ে এই প্রকল্পের আওতায় আরও বেশি সংখ্যক যুবক-যুবতীর সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

তবে, উৎস প্রতিবেদনে প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায় বা সম্প্রসারণ সংক্রান্ত কোনো বিস্তারিত পরিকল্পনা বা সরকারি ঘোষণার তথ্য নেই। এছাড়া, এই প্রকল্পের কার্যকারিতা মূল্যায়ন বা ভবিষ্যৎ নীতিমালা সংশোধন সম্পর্কেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: Ei Samay


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More
articles