বাংলাদেশে AI নিয়ে শঙ্কা থাকলেও প্রযুক্তির পরিবর্তন কেন সবাই স্বাগত জানাচ্ছে
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) প্রসার ও সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির প্রসার ঘটলেও এর প্রতি বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে, প্রযুক্তির পরিবর্তন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও সামগ্রিকভাবে AI গ্রহণযোগ্যতার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের শহুরে এবং শিক্ষাজীবী সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষভাবে স্পষ্ট।
প্রযুক্তির পরিবর্তন এবং AI ব্যবহারের প্রসঙ্গে সলকিয়া বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এই বিতর্কে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা AI নিয়ে শঙ্কা থাকা সত্ত্বেও তার সম্ভাবনা এবং প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
সলকিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম
সলকিয়া বালিকা বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে AI প্রযুক্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। উৎস প্রতিবেদনে এই প্রতিযোগিতার সঠিক তারিখ উল্লেখ নেই।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তির উন্নয়ন ও এর প্রভাব সম্পর্কে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। সরকারি বা বেসরকারি কোনো নির্দিষ্ট দপ্তর বা প্রতিষ্ঠান এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল কিনা, উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই।
কোনো আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল না বলে জানা যায়।
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও প্রযুক্তি গ্রহণের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে AI প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কোনো নতুন সিদ্ধান্ত বা নীতিমালা গ্রহণের তথ্য উৎস প্রতিবেদনে নেই। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে AI নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে বলে উল্লেখ পাওয়া যায়।
এই উদ্যোগগুলো মূলত স্থানীয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের, কেন্দ্রীয় বা রাজ্য পর্যায়ের প্রশাসনিক উদ্যোগ সম্পর্কে উৎস প্রতিবেদনে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রযুক্তির পরিবর্তন ও AI গ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক মনোভাব এই উদ্যোগগুলোর প্রেক্ষিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
শিক্ষার্থীরা AI প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন এবং প্রযুক্তির উন্নয়নে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। শহুরে অঞ্চলগুলোতে যেমন সলকিয়া, শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্যণীয়।
নাগরিকদের মধ্যে AI নিয়ে শঙ্কা থাকলেও প্রযুক্তির পরিবর্তনকে স্বাগত জানানোর প্রবণতা স্পষ্ট। এটি শহুরে শিক্ষাজীবী সমাজে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের প্রতিফলন।
প্রযুক্তির এই গ্রহণযোগ্যতা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে AI প্রযুক্তির বিস্তার ও উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা যায়, তবে উৎস প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেই।
পরবর্তী সম্ভাব্য ধাপ ও প্রযুক্তি গ্রহণের ভবিষ্যৎ
সরকারি বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে AI প্রযুক্তি নিয়ে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কর্মসূচি পরিচালনার সম্ভাবনা রয়েছে। উৎস প্রতিবেদনে এই বিষয়ক নির্দিষ্ট পরিকল্পনার তথ্য নেই।
বর্তমান পরিস্থিতি থেকে অনুমান করা যায়, প্রযুক্তির পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে AI ব্যবহার ও উন্নয়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
কেন্দ্রীয় বা রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে AI নিয়ে নীতিগত বা প্রশাসনিক কোনো নতুন পদক্ষেপের তথ্য উৎস প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: ইসময় – https://eisamay.com/west-bengal-news/howrah-news/ei-samay-hok-tarka-debate-competition-in-salkia-balika-vidyalaya/200475697.cms


