যোগেন চৌধুরী: জীবন ও রেখার স্বরলিপি
jogen kagC 621x414@LiveMint

যোগেন চৌধুরী: জীবন ও রেখার স্বরলিপি

ভারতীয় আধুনিক শিল্পে যোগেন চৌধুরীর নাম উচ্চারণ করলেই যে বিষয়টি প্রথম মনে আসে, তা হলো রেখা। কিন্তু এই রেখা কেবল আকার নির্ধারণের মাধ্যম নয়; এটি স্মৃতি, অন্তর্দ্বন্দ্ব ও সামাজিক অভিজ্ঞতার বহমান চিহ্ন। ১৯৩৯ সালে ফারিদপুরে জন্ম, দেশভাগের অভিঘাতে স্থানচ্যুতি, এবং পরবর্তীতে কলকাতার শিল্পপরিসরে শিক্ষা ও কাজ-সব মিলিয়ে তাঁর শিল্পচিন্তা গড়ে উঠেছে এক বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতার ভিতরে। ব্যক্তিগত স্মৃতি ও সামাজিক বাস্তবতা তাঁর ছবিতে আলাদা হয়ে থাকে না; তারা একে অপরকে বিদীর্ণ করে। সেই বিদীর্ণ করার ভাষাই রেখা-যার মধ্যে ক্রস-হ্যাচিং, বিকৃতি ও সংযত আবেগ মিলিয়ে নির্মিত হয়েছে মানবমুখী এক দৃশ্যভূমি।

তাঁর শিল্প আজও প্রাসঙ্গিক, কারণ তিনি মানুষের ভঙ্গুরতা, একাকীত্ব ও অস্থিরতাকে নন্দনের ভিতরে নিয়ে আসেন। কিন্তু তাঁর ছবির কেন্দ্র কখনও তত্ত্ব নয়; মানুষ। মানবমূর্তি তাঁর কাজে প্রতীক হলেও তারা নিছক চিহ্ন নয়-দেহের টান, মুখের বিকৃতি, পৃষ্ঠের টেক্সচারে মানসিক চাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে তাঁর ছবি কেবল সামাজিক বক্তব্য নয়, দেখার এক অভিজ্ঞতা-যেখানে ব্যথা আছে, কিন্তু উচ্চারণে সংযমও আছে।

Abu Ghraib, 2005 (source jogenchowdhury.net)

এই কারণেই তাঁর কাজ জরুরি। তিনি দেখান, শিল্প প্রতিবাদ হতে পারে-তবু তা প্রচারমুখী নয়। স্থানীয় অভিজ্ঞতা ও বিশ্বজনীন আধুনিকতার ভঙ্গি তাঁর ছবিতে সংঘর্ষে নয়, আলাপে থাকে। একটানা রেখা, কালির ঘনত্ব ও রঙের মিতব্যয়িতায় মানুষের অন্তর্গত অস্থিরতা ধরা পড়ে-আবদ্ধও, আবার উন্মুক্তও।

Acrylic On Canva Bird Ink and Pastel on Paper 18cm x 13cm 2020 Couple , Mixed Media on Paper , 11 x 15 inches , 1992 Cross hash work of Jogen Chowdhury

ঐতিহাসিক ও শিল্প-প্রেক্ষাপট

ফারিদপুরে জন্ম ও শৈশব এমন এক পারিবারিক পরিবেশে কাটে, যেখানে শিল্প আলাদা কোনও অনুষঙ্গ ছিল না; ছিল জীবনেরই অংশ। পিতা প্রমথনাথ চৌধুরীর শিল্পানুরাগ এবং মাতা ইন্দুদেবীর আলপনা-চর্চা মিলিয়ে ঘরের ভেতরেই গড়ে ওঠে এক নীরব নন্দনচর্চা। দেশভাগের পর কলকাতায় স্থানান্তর তাঁর জীবনে কেবল ভৌগোলিক পরিবর্তন আনেনি; স্মৃতি ও পরিচয়ের স্তরে একটি ভাঙনও তৈরি করেছিল। এই অভিজ্ঞতার দীর্ঘ ছায়া পরে তাঁর মানবমূর্তিগুলোর দেহভঙ্গি ও অস্থির রেখায় ফিরে আসে।

কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফটে (১৯৫৫–৬০) শিক্ষাজীবন তাঁকে একাডেমিক শৃঙ্খলার ভিত দেয়। ফিগার ড্রইং, আলো-আঁধারি ও গঠনের অনুশীলন তাঁর দেখার ক্ষমতাকে দৃঢ় করে। পরবর্তীতে ফরাসি সরকারের স্কলারশিপে প্যারিসের École Nationale Supérieure des Beaux-Arts-এ (১৯৬৫–৬৭) অধ্যয়ন তাঁকে পশ্চিমা আধুনিকতার সঙ্গে সরাসরি পরিচয় করায়। ভারতীয় অভিজ্ঞতা ও ইউরোপীয় শিল্পভাবনার এই সংলাপ তাঁর কাজের ভেতরে একটি সূক্ষ্ম দ্বৈততা তৈরি করে-স্থানীয়তার বোধ অক্ষুণ্ণ থাকে, কিন্তু ভাষা হয়ে ওঠে আরও ধারণাগত।

পেশাগত জীবনে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে আর্ট কিউরেটর হিসেবে কাজ (১৯৭০–৮০-এর দশক) এবং পরবর্তীতে ১৯৮৭ সাল থেকে শান্তিনিকেতনে অধ্যাপনা-এই দুই পর্যায় তাঁর শিল্পদৃষ্টিকে ভিন্নভাবে প্রসারিত করে। একদিকে সংগ্রহ, ইতিহাস ও প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতার সংস্পর্শ; অন্যদিকে শিক্ষার পরিসরে শিল্প নিয়ে ভাবনা। এই প্রেক্ষাপটেই সামাজিক বাস্তবতা, নগরজীবনের চাপ ও মানুষের মানসিক জটিলতা তাঁর ছবিতে ধীরে ধীরে স্পষ্ট আকার পেতে শুরু করে।

Cross hash work of Jogen Chowdhury2 Distorted figure shantiniketan 1 grande Drawing and pastel on paper Dry pastel on paper Family

শৈলীর বিবর্তন ও পর্যায়

শুরুর দিকে তাঁর কাজ একাডেমিক ও বাস্তববাদী প্রবণতায় গঠিত। ফর্ম নির্মাণ, অনুপাত ও আলো-আঁধারির অনুশীলনে তিনি দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেন। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই অনুশীলন অনুকৃতির সীমা ছাড়িয়ে যায়-আকার হয়ে ওঠে অনুভবের বাহন। রূপ তখন আর নিছক পুনর্নির্মাণ নয়; তার মধ্যে প্রবেশ করে অন্তর্গত অস্বস্তি ও মানসিক টান।

প্যারিস পর্বের পর থেকেই তাঁর কাজে ক্রস-হ্যাচিং ও অবিচ্ছিন্ন রেখা একটি স্বতন্ত্র ভাষা তৈরি করতে শুরু করে। মানবমূর্তি বিকৃত, কখনও অতিরঞ্জিত; কিন্তু সেই বিকৃতি বাহ্যিক নাটকীয়তার জন্য নয়। মুখাবয়বের টান, হাত-পায়ের অস্বাভাবিক প্রসারণ, দেহভঙ্গির অসমতা-সব মিলিয়ে মানুষের মানসিক চাপ দৃশ্যমান হয়। ফলে মূর্তি একসঙ্গে পরিচিত ও অচেনা; বাস্তবের ভিতরে থেকেও যেন অন্য এক অভ্যন্তরীণ স্তরে অবস্থান করে।

He and his Wife , Ink and Pastel on Paper , 12 x 16 inches , 1988

১৯৭০-৮০ দশকে দিল্লিতে কিউরেটর হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর ছবিতে এক নতুন সংবেদন যুক্ত করে। নগরজীবনের ক্লান্তি, ক্ষমতার অদৃশ্য উপস্থিতি ও নাগরিক বিচ্ছিন্নতা ফিগারগুলোর শরীরী ভাষায় ধরা পড়ে। তবে তিনি সরাসরি ঘটনার পুনরাবৃত্তি করেন না; বরং অঙ্গভঙ্গি, স্পেসের ব্যবধান ও নীরবতার ভিতরে সময়ের চাপ নিবন্ধিত করেন।

Reminiscences of a Dream II , Ink and Watercolour on Paper Laid on Board , 22 x 22 inches , 1969

১৯৮৭ থেকে শান্তিনিকেতনে অধ্যাপনার সময় তাঁর কাজ আরও অন্তর্মুখী হয়ে ওঠে। নারীচরিত্র, পরিবার, সম্পর্কের টানাপোড়েন ও শহুরে মানসিক ক্লান্তি এই পর্যায়ে ঘন হয়ে দেখা দেয়। দেহের উপর টেক্সচারের স্তর, চোখের স্থিরতা বা সামান্য বক্ররেখায় একটি নিঃশব্দ আবেগ জমা থাকে। এই সময়েই তাঁর শৈলী স্পষ্ট স্বাক্ষর অর্জন করে-রেখা, ক্রস-হ্যাচিং ও সংযত রঙের সমবায়ে নির্মিত এক মানবিক ভাষা।

Midori When She Was Young , Oil on Canvas , 34 x 30 inches , 2013

মূল ভাবনা ও নন্দনতাত্ত্বিক অবস্থান

যোগেন চৌধুরীর ছবিতে মানুষ কখনও নিছক বিষয় নয়। তারা বহন করে ক্লান্তি, দ্বিধা, অস্বস্তি, কখনও নিঃশব্দ যন্ত্রণা। দেহ এখানে কেবল আকার নয়; মানসিক অবস্থার বহিঃপ্রকাশ। মুখের টান, চোখের স্থিরতা, অনুপাতের সামান্য বিচ্যুতি-এই সবের মধ্যেই জমা থাকে সামাজিক চাপ ও ব্যক্তিগত অস্থিরতা। অবিচার বা অবক্ষয় সরাসরি দৃশ্যায়িত নয়; বরং শরীরের ভাষায় তা অনুভূত হয়। দর্শক তাই ঘটনাকে নয়, অবস্থাকে দেখে।

তাঁর শিল্পভাষায় সুররিয়াল আবহ আছে, আবার ফিগারেটিভ এক্সপ্রেশনিজমের তীব্রতাও। তবে কোনও ধারার সরাসরি অনুসরণ নয়-এই ভাষা দীর্ঘ অনুশীলনে তৈরি। ভারতীয় অভিজ্ঞতা ও পশ্চিমা আধুনিকতার সংস্পর্শ তাঁর কাজে একটি ভারসাম্য গড়ে তোলে। স্থানীয়তার বোধ অক্ষুণ্ণ থাকে, আবার ফর্ম ও টেক্সচারে আধুনিকতার অনুসন্ধানও স্পষ্ট।

তাঁর ছবিতে সহানুভূতি আছে, কিন্তু তা আবেগপ্রবণ নয়। তিনি যন্ত্রণাকে উচ্চকণ্ঠ করেন না; বরং নিবন্ধিত করেন। এই নিবন্ধনের ফলে দর্শক ছবির পৃষ্ঠে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রবেশ করতে পারে। শিল্প এখানে বক্তব্য নয়, এক ধরনের সংলাপ।

Jogen Delhi Period grande Jogen Paris Abstract Art Composition I 1966 grande

মাধ্যম, উপকরণ ও কৌশল

যোগেন চৌধুরীর কাজে কালি, জলরং, পেস্টেল ও তেলচিত্রের ব্যবহার দেখা যায়। তবে তাঁর কৌশলের কেন্দ্রে থাকে রেখা-বিশেষত ক্রস-হ্যাচিং ও অবিচ্ছিন্ন রেখার ঘন বিন্যাস। এই রেখাজাল ত্বকের মতো এক ধরনের টেক্সচার তৈরি করে। আলো-আঁধারি এখানে আলাদা করে বসানো নয়; রেখার ঘনত্ব থেকেই তা জন্ম নেয়। অনেক ক্ষেত্রে মনে হয়, রঙ নয়, রেখাই টোন তৈরি করছে।

Prasadhan , Pen and Ink (Crosshatch) on Paper , 30 x 40 inches Reclining woman 1960 grande Still Life

কালো কালি তাঁর কাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এখানে কালো কেবল রঙের অনুপস্থিতি নয়; বরং ঘনত্বের ভাষা। কালির শুষ্কতা ও ধারালো রেখা ছবির মেজাজকে তীব্র করে তোলে। জলরং ও পেস্টেলে তিনি তুলনামূলক সংযত, মাটির কাছাকাছি টোন ব্যবহার করেন। এতে দেহের কৌণিকতা ও টেক্সচারের ভিতরে একটি নরম স্তর যুক্ত হয়। রঙের ব্যবহারে মিতব্যয়িতা তাঁর ছবির একটি স্বাক্ষর বৈশিষ্ট্য।

তেলচিত্রে তাঁর ড্রাই ব্রাশ পদ্ধতি লক্ষণীয়। এই কৌশলে পৃষ্ঠ পুরোপুরি মসৃণ হয় না; ব্রাশের দাগ দৃশ্যমান থাকে। ফলে ছবির ভেতরে স্পর্শের অনুভূতি তৈরি হয়-দৃষ্টি যেন পৃষ্ঠের উপর দিয়ে হাঁটে। কোথাও রুক্ষতা, কোথাও মসৃণতার আভাস-এই বৈপরীত্য ছবিকে আরও প্রাণবন্ত করে। রেখা, রঙ ও টেক্সচারের সমবায়ে মূর্তি কেবল দৃশ্যমান থাকে না; মানসিক অবস্থারও ইঙ্গিত বহন করে।

Lead Jogen Chowdhury Photo credit Rohit Chawla

সমকালীন শিল্পপরিসরে অবস্থান

ফিগারকেন্দ্রিক শিল্পভাষার ধারায় যোগেন চৌধুরীর অবস্থান স্বতন্ত্র। বিকৃতি ও অতিরঞ্জনের মাধ্যমে তিনি মানবমূর্তিকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ তৈরি করেছেন-যেখানে দেহ কেবল বাহ্যিক গঠন নয়, মানসিক ও সামাজিক অভিজ্ঞতার বাহন। তাঁর ছবিতে স্থানীয় অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক আধুনিকতার সংলাপ দেখা যায়; একে অপরকে অস্বীকার না করে তারা পাশাপাশি অবস্থান করে।

শান্তিনিকেতনের কালাভবনে অধ্যাপনার ভূমিকা তাঁর শিল্প-অভিজ্ঞতাকে অন্য মাত্রা দেয়। শিক্ষার পরিসরে তিনি কেবল কৌশল শেখাননি, দেখার ভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর কিউরেটরিয়াল অভিজ্ঞতাও শিল্প-ইতিহাস ও সংগ্রহের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংযোগ তৈরি করে, যা শিল্প-পরিসরকে সমগ্রভাবে বোঝার সুযোগ দেয়।

আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও পুরস্কার তাঁর কাজের বিস্তৃত গ্রহণযোগ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। কালিদাস সম্মান (২০০১) কিংবা প্রিক্স লে ফ্রান্স দ্য লা জিউন পেইন্টুর (১৯৬৬) তাঁর দীর্ঘ শিল্পযাত্রার স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখযোগ্য। তবে তাঁর কাজের গুরুত্ব কেবল পুরস্কারে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সমাজ, দেহ ও স্মৃতির সম্পর্ককে তিনি যেভাবে চিত্রভাষায় অনুবাদ করেছেন, তা সমকালীন আলোচনায় বারবার ফিরে আসে।

The Dreaming Boy , Ink, Pastel & Mixed Media on Paper (Crosshatch) , 27.5 x 19.5 inches , 1999

সমালোচনামূলক আলোচনায় প্রায়ই তাঁর রেখার প্রসঙ্গ ওঠে-রেখা যা কখনও স্মৃতি, কখনও সংযত প্রতিবাদ, কখনও নিছক গঠন। এই বহুমাত্রিক ব্যবহারের মধ্যেই তাঁর স্বাতন্ত্র্য। ভবিষ্যতে তাঁর কাজ নিয়ে আরও গবেষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে-উপকরণের পরিবর্তন, নির্দিষ্ট সময়ের সামাজিক প্রতিফলন, কিংবা শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব-সবই অনুসন্ধানের ক্ষেত্র হয়ে থাকতে পারে।

শেষকথা

যোগেন চৌধুরীর শিল্পভাষায় জীবন ও রেখা আলাদা করা যায় না। রেখা তাঁর কাছে কেবল আকার নির্মাণের মাধ্যম নয়; এটি স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও অবস্থানের চিহ্ন। দেশভাগের স্মৃতি, নগরজীবনের ক্লান্তি কিংবা মানুষের অন্তর্গত দ্বন্দ্ব-সবই ক্রস-হ্যাচিংয়ের ঘনত্ব ও একটানা রেখার টানে ধরা পড়ে। সংযত রঙের ব্যবহারে সেই অনুভূতিগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর ছবি তাই একবারে শেষ হয় না; স্তরে স্তরে খুলে যায়।

তাঁর কাজ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিল্প কখনও উচ্চারণে নয়, সংযমেও শক্তিশালী হতে পারে। তিনি যন্ত্রণা বা প্রতিবাদকে নাটকীয় করেন না; বরং নিবন্ধিত করেন। রেখা ও টেক্সচারের ভিতর দিয়ে মানুষ ও সময়ের সম্পর্ক দৃশ্যমান হয়। এই স্থিত, সংযত ভাষাই তাঁকে আধুনিক ভারতীয় শিল্পে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান দিয়েছে-আজও, এবং সম্ভবত আগামীদিনেও।

Tiger in the Moonlight (source jogenchowdhury.net)

2 Responses

  1. খুব সুন্দর লেখা। গভীর ও অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

ঘোড়াডুমের পাঠচক্রে যুক্ত হোন

বাংলার ইতিহাস, লোকঐতিহ্য, স্থাপত্য, ও শিল্পভাবনা নিয়ে তথ্যভিত্তিক, দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা