বঙ্গলে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে দীর্ঘ লাইন, যোগ্যতা শর্ত জানুন এখানে
প্রকল্প রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে কি ঘটেছে
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে শত শত যুবক-যুবতী দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের নাম, যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিয়েছেন। ক্যাম্পগুলো মূলত শহুরে এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে তরুণ সমাজের মধ্যে প্রকল্প সম্পর্কে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে তরুণেরা উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্প পরিচালনা ও তদারকি করছিল রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এই ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থী ছিল।
প্রকল্পের নাম, দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য
‘বাংলার যুব সাথী’ নামের এই প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য রাজ্যের যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান এবং দক্ষতা উন্নয়ন করা। এই প্রকল্পের অধীনে রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে আবেদনকারীরা নিবন্ধিত হয়েছেন।
রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প পরিচালনার দায়িত্ব রাজ্যের যুব উন্নয়ন বিভাগে। ক্যাম্পগুলো ২০২৪ সালের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে চালু রয়েছে। ক্যাম্পের মাধ্যমে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই।
অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীদের জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা শর্ত রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
- আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর হতে হবে।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে মাধ্যমিক পাশ অথবা সমমানের সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক।
- পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে, আবেদন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়মমাফিক সম্পন্ন করার জন্য ক্যাম্পে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও প্রেক্ষাপট
রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আনা এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজ্যের যুবসমাজের জন্য একটি সুশৃঙ্খল ও কার্যকর কর্মসংস্থান প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প আয়োজনের সিদ্ধান্ত রাজ্য পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের পেছনে প্রধান প্ররোচক হিসেবে কাজ করেছে রাজ্যের যুব উন্নয়ন দফতর, যা যুব সমাজের বৈশ্বিক কর্মসংস্থান সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে কাজ করছে। ক্যাম্প আয়োজনের সময়সূচি, স্থান নির্বাচন এবং রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি নির্ধারণ রাজ্য পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে।
প্রকল্পের নাগরিক ও শ্রম বাজারে প্রভাব
‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার যুবক-যুবতী সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও প্রকল্পের মাধ্যমে কতজন প্রকৃত কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন, উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই।
এই উদ্যোগের ফলে রাজ্যের তরুণ সমাজের মধ্যে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারবে। শহুরে এলাকাগুলোতে ক্যাম্পের আয়োজন মূলত শহরের যুবসমাজের মধ্যে এই প্রকল্পের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ করছে।
তবে প্রকল্পের বাস্তব প্রভাব ও দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নির্ভর করবে পরবর্তী পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের উপর।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য কার্যক্রম
বর্তমানে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আগামী মাসগুলোতে আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রেজিস্ট্রেশন শেষে নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও কর্মসংস্থান সুযোগ তৈরি করা হবে। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা ও সময়সূচি উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই।
পরবর্তীতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে প্রকল্পের অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: Google News West Bengal


