বাংলাদেশে AI নিয়ে শঙ্কা ও পরিবর্তনের আসল প্রভাব কী জানেন কি

বাংলাদেশে AI নিয়ে শঙ্কা ও পরিবর্তনের আসল প্রভাব কী জানেন কি

বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সংক্রান্ত উদ্বেগ ও পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের সঙ্গে বিভিন্ন শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান, তথ্য নিরাপত্তা এবং সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে AI কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এই প্রযুক্তির প্রভাবে দেশীয় অর্থনীতি এবং সামাজিক গঠন কিভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞরা মনোযোগী হয়েছেন।

উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই যে, এই শঙ্কাগুলো কোথায় কোথায় সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পেয়েছে বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনা থেকে এই উদ্বেগের সূচনা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এই প্রযুক্তির প্রবেশ এবং ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্তরে পরিবর্তনের কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সরকারি উদ্যোগ ও প্রশাসনিক কাঠামো

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (ICT Division) এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় AI প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।

উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই যে, নির্দিষ্ট কোন আইনি বা প্রশাসনিক কার্যক্রম ইতিমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে কিংবা কোন নির্দিষ্ট তারিখে কোন নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এছাড়া, AI নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের জন্য কোন নির্দিষ্ট স্কিম বা প্রোগ্রামের নামও উল্লেখ করা হয়নি।

প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও প্রভাবের কারণ

বাংলাদেশে AI প্রযুক্তির প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট শঙ্কার কারণে প্রশাসনিক পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং নেতিবাচক প্রভাব কমানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই যে, এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো কেন্দ্রীয় স্তরে নেওয়া হয়েছে নাকি রাজ্য/বিভাগীয় স্তরে। এছাড়া, কোন নির্দিষ্ট নীতিমালা বা নির্দেশিকা প্রকাশের তথ্যও নেই।

সাধারণ জনগণ ও কর্মজীবীদের ওপর প্রভাব

AI প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে অপ্রশিক্ষিত শ্রমিক ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য এটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

শিক্ষার্থী এবং প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও AI-এর ভূমিকা বাড়ছে। তবে উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই যে, এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ফলে কোন নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে বা পড়বে।

ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও প্রত্যাশা

সরকার এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে AI প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতে আরও কার্যকর নীতি গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি প্রযুক্তির ব্যবহারে স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

উৎস প্রতিবেদনে এই তথ্য নেই যে, নির্দিষ্ট কোন নতুন পরিকল্পনা, প্রকল্প বা উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে বা কোন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সূত্র: Ei Samay

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

ঘোড়াডুমের পাঠচক্রে যুক্ত হোন

বাংলার ইতিহাস, লোকঐতিহ্য, স্থাপত্য, ও শিল্পভাবনা নিয়ে তথ্যভিত্তিক, দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা